Thursday, August 11, 2022
HomeOnline incomeHow to make money online at home part 2 | ঘরে বসে...

How to make money online at home part 2 | ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করার উপায় পর্ব 2

সূচিপত্র

অনলাইনে ইনকাম ২০২১

আসসালামুআলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন। অনলাইনে ইনকাম ২০২১ শিরোনামে ধারাবাহিক পর্বের আজকে আমরা ঘরে বসে সহজে অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় সে বিষয়ে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা করবো ।

আজকাল ফেসবুকে ঢুকলেই  অনেকেই প্রশ্ন করে কিভাবে অনালাইন  আয় করা যায়? কিভাবে ঘরে বসে সহজে টাকা আয় করা যায়? কিভাবে সহজে অনলাইনে কাজ পাওয়া যায়? কিভাবে মোবাইল দিয়ে ঘরে বসে আয় করা যায়?

আবার অনেকেই বলে ভাই আমি কিভাবে ফ্রিলান্সিং শুরু করবো ? আমি তো নতুন আমি  ফ্রিলান্সিং এর কোন কাজটি আগে শিখবো। কোন কাজের চাহিদা বেশী? কোথায় থেকে কাজ শিখবো ? ফ্রিলান্সিং বা আউটসোর্সিং কি ?

তো সবার কথা বিবেচনা করে আজকে আমি  ফ্রিলান্সিং বা  অনলাইন থেকে আয় করার উপর কয়েকটি পর্বের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন দেবার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

আপনি যদি প্রথম পর্বটি না দেখে থাকেন তালে নিচের লিংক থেকে দেখে নিতে পারেন।

ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করার উপায় পর্ব ১

কিভাবে আপনি ঘরে বসে আয় করবেনঃ

 

কিভাবে আপনি ঘরে বসে আয় করবেন

অনলাইনে ইনকাম ২০২১ । ২০২১ সালে আপনি কিভাবে ঘরে বসে আয় করবেন ? এই প্রশ্নটির উত্তর দেবার আগে আমি আপনাকে আর একটি প্রশ্নের সম্মুখিন করি তাহলো, আপনি কি কি কাজ পারেন ? । আসলে ভাই  টাকা ইনকাম করতে সবাই চায় কিন্তু সবাই কি টাকা আয় করতে পারে ?

পড়ালেখা তো অনেক ছাত্রই করে সবাই কি পাশ করে ?  অনেকেই তো চাকরির জন্য চেষ্টা তদবির করে ।  কিন্তু সবাই কি চাকুরি পায় ? কেন পায় না ? চাকুরি না পাওয়ার প্রধান কারন দুইটি বলে আমি মনে করি। তার এক নাম্বার কারন হলো, প্রয়োজনীয় দক্ষতা / অভিজ্ঞতার অভাব । দেখা যাচ্ছে চাকুরি  দাতা যে কাজের জন্য লোক খুজঁছেন , সে কাজে অভিজ্ঞ লোক পাচ্ছেনা । দুই নাম্বার কারন হলো চাকুরির জন্য  সঠিকভাবে ধৈর্য্যসহকারে চেষ্টা না করা ।

আপনি যদি ইচ্ছে করেন তো আপনি ঘরে বসেই বিভিন্ন উপায়ে অনলাইন থেকে ইনকাম  করতে পারবেন। কিন্তু শুধু ইচ্ছে করে বসে থাকলেই কিন্তু ইনকাম আসবে না । আপনাকে চেষ্টা করতে হবে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। তবেই আপনি সফলতা পাবেন


তো যাইহোক অনলাইন থেকে ইনকাম  করতে হলে , আপনাকে যেকোন কাজে নূন্যতম হলেও দক্ষতা থাকতে হবে। যদি দক্ষতা না থাকে তবে আপনি আগে যেকোন একটি কাজ আগে শিখে নিন তারপর মাঠে নামুন ।  অনলাইনে ইনকাম ২০২১

আরও পড়ুন  online income halal or haram? What does Islam say | অনলাইনে আয় হালাল নাকি হারাম? ইসলাম কি বলে?

অনলাইনে ইনকাম করার জন্য প্রথম কোন কাজটি শিখবো?

 

অনলাইনে ইনকাম করার জন্য প্রথম কোন কাজটি শিখবো?

অনলাইনে ইনকাম ২০২১ , অনেকেই প্রশ্ন করে ভাই আমি তো ফ্রিলান্সিং এ একদমই নতুন । আমি প্রথমে কোন কাজটি শিখে অনলাইন থেকে আয় করতে পারবো ? অনেকেই বলে ভাই আমার আর্থিক অবস্থা ভালোনা পারিবারিক সমস্যা ! আমি ছাত্র, আমি পড়ালেখার পাশাপাশি অল্প হলেও অনলাইনে আয় করতে চাই । আমাকে একটু পরার্মশ দেন।

আমি সে ভাইদের উদ্দেশ্য করে একটি কথায় বলি , আপনি প্রথমে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখুন ।  বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা আকাশচুম্বী । বিভিন্ন কম্পানিগুলোতে একজন ডিজিটাল মার্কেটার এর কাজের ক্ষেত্র যেরকমভাবে  তৈরি হচ্ছে ঠিক সেভাবে অনলাইন মার্কেটিপ্লেসগুলোতেও ডিজিটাল মার্কেটিং এর ছোট ছোট কাজের জন্য ক্লায়েন্টরা প্রতিদন জব পোষ্ট করে যাচ্ছে।

এই দুটি ক্ষেত্র ছাড়াও নিজের বিজনেসের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর খুঁটিনাটি শেখার প্রয়োজনীয়তা অনেক। অল্প বাজেটে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সহায়তায় কাস্টমার এনগেইজমেন্ট থেকে শুরু করে পন্য বিক্রয় কার্যক্রম খুব ভালোভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

এখন অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে ডিজিটাল মার্কটিং টা আবার কি ? ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচারকে বোঝায়। ইন্টারনেট ডিজিটাল মার্কেটিং এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। 

ডিজিটাল মার্কেটিং


ডিজিটাল মার্কেটিং এরও আবার অনেকগুলা ভাগ আছে যেমন 


1 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
2 সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
3 কন্টেন্ট সৃষ্টি করা
4 সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
5 ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন
6 পুনঃলক্ষ্য স্থির এবং পুনঃমার্কেটিং
7 মোবাইল মার্কেটিং
8 ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং
9 ভাইরাল মার্কেটিং
10 ইমেইল মার্কেটিং
11 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
12 ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা ও বায়িং
13 ওয়েব এনালিটিক্স

ডিজিটাল মার্কেটিং কি


ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার ১৩টি উপায়

বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। আপনি পৃথিবীতে বাস করছেন ডিজিটাল প্রযুক্তির মাঝে। সেই হিসেবে আপনার ব্যবসায়ও অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে করতে হবে। আপনি তুলনামুলকভাবে কম খরচে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে কাজ করতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচারকে বোঝায়। ইন্টারনেট ডিজিটাল মার্কেটিং এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এছাড়া অন্যান্য মাধ্যমগুলো যেমনঃ তারবিহীন টেক্সট মেসেজিং, মোবাইল ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, ডিজিটাল টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল ইত্যাদিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরব ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার ১৩টি উপায়-

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান বা SEO মূলত আপনার ওয়েবসাইট এটি গুগল, ইয়াহু বিং বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধান ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে থাকে। আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচাইতে উপরে নিয়ে আসবেন, তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বৃদ্ধি পাবে কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। গুগল তার তথ্য গুলো নিয়মিত আপডেট করে।
-সনাক্ত করুন এবং বিং, ইয়াহু এবং গুগল সার্চ বিজ্ঞাপনের নিয়ম অনুসরণ করুন তারা কোন প্রচারাভিযান চালাবার আগে যে ফরমেট অনুসরন করে থাকে।
-কখনও ডুপ্লিকেট কনটেন্ট ব্যবহার করা উচিতনা। এটা এসইওর ক্ষেত্রে খুবই ক্ষতিকর হবে।
মনে রাখবেন, এটার অধিকাংশ খরচ কার্যকর মার্কেটিং কৌশলের উপর ভিত্তি করে যা আপনার ব্যবসার জৈব ট্রাফিক নিয়ে আসবেন।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)


সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা SEM এটি ব্যাপক মার্কেটিং কৌশল যা প্রাথমিকভাবে দেওয়া প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনার ব্যবসা ট্রাফিক ড্রাইভ হয়। তাকে আমরা Paid সার্চ মার্কেটিং বলে থাকি। আপনার ব্যবসার গঠনশৈলীর উপর ভিত্তি করে সাধারনত এ ধরনের মার্কেটিং করা হয়। এক্ষেত্রে কোন PPC (পে-পার-ক্লিক করুন) অথবা সিপিসি (খরচ প্রতি ক্লিকে) মডেল বা সিপিএম (খরচ প্রতি হাজার ইমপ্রেশন) মডেল নির্বাচন করতে পারবেন। এসইএম সাধারনত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের হয়ে থাকে। যেমন-গুগুলের AdWords এবং বিং বিজ্ঞপ্তি (গুগল নেটওয়ার্কে), ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এছাড়াও এসইএম বিজ্ঞাপন অনুসন্ধান, মোবাইল মার্কেটিং, পুনঃবাজারজাতকরণের এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। SEM বর্তমান অনলাইন মার্কেটিং এর সব চেয়ে সাশ্রয়ী অনলাইন মার্কেটিং যা কিনা আপনার রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে পারে।

কন্টেন্ট সৃষ্টি


কন্টেন্ট সৃষ্টি করা

গবেষণায় দেখা গেছে বিষয়বস্তু নির্মাণের জন্য গুগলের অ্যালগরিদম ২০১৪ ব্যবহৃত হয় বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে গুগল অ্যালগরিদম পরিবর্তন করেছে। অনলাইনে আপনার কনটেন্ট, যেকোন পোস্ট কিংবা ফোরাম ডিসকাশনে যাতে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে যাতে খুব সহজে আপনার টার্গেটেড পাঠক আপনাকে খুঁজে পেতে পারেন। প্রত্যেকদিন নির্দিষ্ট সময় পর পর মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট গুলোকে আপডেট করা উচিৎ। সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট পোস্ট করা ক্ষেত্রে অটোমেটিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করা উচিৎ। আপনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের জন্য আপনার বিষয়বস্তু কাস্টমাইজ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, মোবাইল ফোনের জন্য বিষয়বস্তু সহজ এবং সংক্ষিপ্ত হতে হবে। মনে রাখবেন, একটি কার্যকর কৌশল আপনার পাঠকদের জন্য তৈরি করবেন এবং তারা আপনার কাছ থেকে আরো তথ্য জানতে আগ্রহী হবে। একটি ভাল কন্টেন্ট ভাগ করা এবং আপনার ব্যবসা ব্র্যান্ডিং জন্য সবচেয়ে ভাল উপায়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং


সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

আপনার ব্যবসায়িক পণ্যের প্রচারের জন্য এর চাইতে ভাল জায়গা, এখনও নাই। একটি এ্যাক্টিভ কমিউনিটি তৈরি করুন। এমনভাবে একটি কমিউনটি তৈরি করুন যেখানে সকল মেম্বার এ্যাক্টিভ থাকবে। ফেসবুকে কমিউনিটি তৈরি করার জন্য গ্রুপ কিংবা পেজ তৈরি করুন। এমনি করে টুইটার, গুগল প্লাস কিংবা লিংকেডিনে কমিউনিটি তৈরি করুন। আপনার টার্গেটকৃত ক্রেতাদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিভিন্ন আলোচনাতে অংশগ্রহন করতে পারেন। কাউকে ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ কিংবা গ্রুপের লিংকগুলো সিগনেচার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার নিজের ওয়েবসাইটে কিংবা কোন ব্লগে পোস্ট দেয়ার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বাটন যুক্ত করুন। সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে নিয়মিত অংশগ্রহণের জন্য ম্যানেজমেন্টটুলস (HootSuite, TweetDeck) ব্যবহার করুন যা আপনার সময়কে সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাল ফলাফল বের করতে সাহায্য করবে। নিয়মিত পোস্ট দিতে হবে। সেটা একটা রুটিন অনুযায়ী করলে ভাল হয়ে। যেমন, ৩ দিন পর, ১ সপ্তাহ পর। তাহলে নিয়মিত ভিজিটর আসবে নতুন কিছু পাবার আশায়।

ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন


ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন

এটি অনেকটা আবার আপনার SEM ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি উপসেট মার্কেটিং ব্যবস্থা। সম্ভাব্য শ্রোতাদের লক্ষ্য করে ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন ফরম্যাটের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে পারেন- এটি টেক্সট, ইমেজ, ব্যানার, সমৃদ্ধ মিডিয়া, ইন্টারেক্টিভ বা ভিডিও বিজ্ঞাপন হতে পারে। আপনার আগ্রহ, বিষয়বস্তু বিষয় বা ক্রয় চক্রের গ্রাহকের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে আপনার বার্তা কাস্টমাইজ করতে পারেন।
তবে মনে রাখবেন, ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল। আপনি আপনার ব্যবসার জন্য ভাল ROI চালনা করলে বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রয়োজন হতে পারে।

পুনঃলক্ষ্য স্থির এবং পুনঃমার্কেটিং

পুনঃলক্ষ্য স্থির এবং পুনঃমার্কেটিং একটি কৌশল যেখানে দেখতে পাবেন গ্রাহকরা আপনার ওয়েবসাইটটি কতবার ভিজিট করেছে। এটা কুকি প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে করা হয়। Retargeting একটি পছন্দের কৌশল হিসেবে গ্রাহকদের মাঝে যারা ইতিমধ্যে আপনার ব্যবসা আগ্রহ দেখিয়েছে টার্গেট হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। আপনি সামাজিক নেটওয়ার্কে বা মোবাইলেও আপনার সাইটে Retargeting ব্যবহার করতে পারবেন।

মোবাইল মার্কেটিং


মোবাইল মার্কেটিং

এসএমএস(SMS) মার্কেটিং, এমএমএস(MMS) মার্কেটিং, ব্লুটুথ মার্কেটিং, ইনফ্রারেড মার্কেটিং এর মাধ্যমে মোবাইল মার্কেটিং করা হয়। আর এগুলোর মধ্যে “SMS FOR MOBILE” মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই গুরুতুপূর্ণ। আপনি ভার্চুয়াল জগৎ এর, ডিজিটাল যুগের মানুষ। আপনার ফেসবুক, টুইটারে অনেক ফলোয়ার থাকতে পারে। তাদেরকে আপনি মেসেজ অথবা টুইট করতে পারেন আপনার keyword গুলো। হয়তো তারাও SMS এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার হতে পারে। যারা আপনার প্রডাক্টের নিয়মিত সাবস্ক্রাইবার হয়েছে তাদেরকে আপনি আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত বিবরণের মেসেজ পাঠাতে পারেন। মেসেজ হবে সংক্ষিপ্ত, to-the–point এ এবং ১৬০ ওয়ার্ডের বেশী নয়। মেসেজ হবে ফ্রেণ্ডলি যাতে সাবস্ক্রাইবার এমন মনে না করে যে আপনি আপনার কোম্পানীর প্রোডাক্ট কেনার জন্য তাকে প্ররোচিত করছেন। এই মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই ফ্লেক্সিবল এবং এটি টাকা তৈরীর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং


ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং

আপনার ওয়েবসাইটে কি ধরনের ভিজিটর আসে আর কতজন ভিজিটর আসে তার উপরেই আপনার ওয়েবসাইটের সকল সাফল্য নির্ভর করে। আপনি একটা ভিডিও তৈরি করে সেটা বিভিন্ন ভিডিও সাইটে দিতে পারেন যেমন ইউটিউব, ডেইলিমোশন, ভিমিও, রেভের ইত্যাদি। এতে আপনার ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়বে আর অনেক মানুষকে আপনার ওয়েবসাইটে আসতে বাধ্য করবে।

ভাইরাল মার্কেটিং


ভাইরাল মার্কেটিং

আপনি যেই সেক্টরেই থাকুন না কেন, আপনার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে ভাইরাল মার্কেটিং ও কনটেন্টের গুরুত্ব বলে হয়তো শেষ করা যাবেনা। ছবি বা লেখাকে প্রোমোট করতে আপনার আর তেমন খাটনি করার প্রয়োজন হবে না। মানুষই ভাইরাসের মত কনটেন্টটি ছড়িয়ে দেবে। এই ধরণের কনটেন্ট তৈরী ও প্রকাশ করার পরে আপনার কাজটি হল তার দিকে নজড় রাখা, যেমন ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি প্রায় সকল সোশাল মিডিয়াতেই ইনসাইট বা এ্যানালিটিকস রয়েছে যা দিয়ে আপনি একটি কনটেন্ট কতোটা ভালো পারফর্ম করছে বা না করলে কি সমস্যার কারণে করছে না ইত্যাদি জানতে পারেন। দিন শেষে, একটি কথা না বললেই নয়! তা হল ভালো কনটেন্ট তৈরী করুন। ক্যাপশান, পোস্ট করার সময়, প্রিভিউ ইমেজ ইত্যাদির উপরেও অনেকাংশে ভাইরালিটি নির্ভর করে।

ইমেইল মার্কেটিং


ইমেইল মার্কেটিং

যখন আমি আমার বার্তা গ্রাহকদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পোঁছাবো তখন তাকে আমরা ইমেইল মার্কেটিং বলব। একটি কার্যকর ইমেইল মার্কেটিং সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ই-মেইল লিস্ট গ্রাহকদের পছন্দ এবং অপছন্দ এবং খরচ অভ্যাস সহ বিভিন্ন কারণের উপর ভিত্তি করে আলাদা করে বজায় রাখতে পারেন। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি আপনার পন্যের এবং সেবার প্রচার করতে করতে পারবেন এবং আপনার সাইটের প্রচার করতে পারবেন। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছোট বড় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের আয় বৃদ্ধি করছে। ইমেইল মার্কেটিং হল আপনার ক্রেতাদের কাছে আপনার পণ্যের তথ্য পৌছানোর সবচাইতে কাযকরী পদ্ধতি। ইমেইল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনার যা ভাবতে হবে- বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বয়সের কিংবা বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষের মেইল এড্রেস জোগাড় করুন, যে পণ্যের মার্কেটিং করতে চান, সেটি নিয়ে ভালভাবে গবেষণা করুন, অন্য কোম্পানীর একই পণ্যকে নিয়ে ও তাদের মার্কেটিং কৌশল নিয়ে গবেষণা করুন, সবচাইতে সহজভাবে আপনার পণ্যের গুণ বর্ণনা করুন আপনার মেইলে। ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট, মার্কেটিং টুলস এবং পন্য বা সেবা। ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে মুহূর্তেই আপনি আপনার পণ্য এবং সেবা কে হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে তুলে ধরতে পরবেন এবং এতে করে আপনার পন্যটি জনপ্রিয় হতে থাকবে। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পণ্য অধিক পরিমানে বিক্রি হতে থাকবে ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং



অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

আপনি যখন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল টা ব্যাবহার করে অন্য কারও প্রডাক্ট অথবা সার্ভিস কমিশন ভিত্তিক প্রমোশন করবেন সেটা হবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এমন কোন বিষয় নয় যেখানে আপনি রাতারাতি খুব বেশি কিছু করে ফেলতে পারবেন। এখানে তারাই সফল হবে যারা ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে পারবে।

ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা ও বায়িং

যখন মিডিয়া এজেন্সি গবেষণা এবং একটি সমন্বিত কৌশল ফ্রেমওয়ার্ক এর সমন্বয়ে মার্কেটিং হয় তখন আমরা এটাকে ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা বলে থাকি। স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টারনেটের প্রসারে দিনকে দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনলাইন মিডিয়াগুলো। ফলে বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ড ও কোম্পানি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে প্রচার প্রচারণার একটি বড় মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অনলাইন মার্কেটিং। ফলে অনলাইন মিডিয়ার প্রসারে ছাপা পত্রিকা, গতানুগতিক বিলবোর্ডসহ পুরাতন সব প্রচার মাধ্যমকে পেছনে ফেলার পথে এই নব্য মিডিয়া।

ওয়েব এনালিটিক্স


ওয়েব এনালিটিক্স

আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ওয়েব Analytics। মূলত, ওয়েব এনালিটিক্স সংগ্রহ করা, পরিমাপ, বুঝতে, বিশ্লেষণ, পরিকল্পনা, রিপোর্ট করা এবং আপনার ব্যবসার জন্য ওয়েব কার্যক্রম ভবিষ্যদ্বাণী করতে আপনাকে সাহায্য করবে। ওয়েব এনালিটিক্স ওয়েব পরিসংখ্যান সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব এনালিটিক্স হচ্ছে গুগল এনালিটিক্স, স্প্রিং মেট্রিক্স, অপেরা, প্রিন্ট। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে প্রত্যেক বিজ্ঞাপনদাতা তার ব্যবসা বুঝতে ওয়েব এনালিটিক্স ব্যবহার করা হয়।

এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার ব্যবসার জন্য বিভিন্ন মার্কেটিং কৌশল ব্যবহার করতে পারেন এবং এর মধ্যে থেকে আপনাকে বেছে নিতে হবে কোন কৌশলটি ব্যবহার করলে বেশি লাভবান হবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং একটি গতিশীল মাধ্যম এবং আপনি সবসময় আপানার কাজের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনি আপনার গ্রাহকদের চেনেন এটাই যথেষ্ট নয়। কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য আমরা বিভিন্নভাবে মার্কেটিং করি যেমনঃ লিফলেট, পোস্টার ইত্যাদি। বর্তমানে ডিজিটাল যুগ। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সবচাইতে বেশি মানুষের কাছে পণ্যের প্রচার করা যায়, এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়েই সবচাইতে বেশি ব্যবসায়িক সফলতা পাওয়া যায়। অনেক ধরণের ব্যবসা আছে যে গুলো গড়েই উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংকে কেন্দ্র করে।খুব সহজে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যায় বলে, অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য তো অবশ্যই।

ডিজিটাল মার্কেটিং ছাড়াও ঘরে বসে আরো যেসব উপায়ে ইনকাম করা যায় তা এখন ধাপে ধাপে আলোচনা করবো ।

স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ই-মেইলঃ itshafiqul7@gmail.com ধন্যবাদ।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Related articles